Friday, 2 March 2012

সাগরিকা সংগৃহীত


মানুষের জীবন পরিবর্তনশীল। আমরা শৈশব থেকে বেড়ে উঠি একটু একটু করে। কিছু স্মৃতি আঁকড়ে ঘরে আমাদের এগিয়ে চলতে হয়। এমনি একটি ঘটনা বলার চেষ্টা করছি। যৌনতাকে বুঝে নিতে আমার কেটে গিয়েছিল ১৭ টি বসন্ত। আমাদের ছোট পরিবারে টানাটানি – এর মধ্যেও আমাদের বেড়ে ওঠা ছিল স্বাভাবিক। এমন সময় পরিচয় হলো আমাদের পাশের বাড়ির একটি মেয়ের সঙ্গে। নাম তার সাগরিকা। ওকে আদর করে আমি ডাকতাম সাগর।

চঞ্চল স্বভাবের জন্য সবাই তাকে ভীষন ভালবাসে। তার অবাধ স্বাধীনতা। আমাদের বাড়ির আশে-পাশে ধুরে বেড়াতো। বয়েসে রঙ লেগেছে, সেটা তার মনে ছিলনা।
নারী শরিরের আকর্ষন সবে বোঝা শুরু করেছি। তাই সাগরিকার শরিরের যৌন অঙ্গগুলো বেশ মাদকতা ছড়াতো। কালিদাস কবির ভাষায় নিম্ন নাভি, পিনাগ্র স্তন – যেন এক শকুন্তলা। সাগরিকা দেখতেও ছিল বেশ। মজার কথা হলো তার মা ও বেশ সুন্দরী ছিল। তার মায়ের শরিরের বর্ণনা দেয়ার সামর্থ্য তখন আমার হয়নি, শুধু তাঁর শরিরের দিকে তাকিয়ে থাকতাম হাঁ করে। এভাবেই কেটে গেল বেশ কিছু মাস।
এবার যেভাবে আমার যৌনজীবনের সুত্রপাত সেটা বলছি। গ্রীষ্মের এক দুপুর। আমার পড়ার ঘরের জানালা দিয়ে সাগরিকাদের বাড়ির বাথরুম দেখা যেত। আমিও চেষ্টা করতাম সাগরিকা বা তার মা’র স্নান করা দেখতে। খুব ভয় লাগত। কে দেখে ফেলে- সে ভয়ে আমি তেমন সাহস করতাম না। সাগর কোথায় বেড়াতে যাবে বলে- জামা কাপড় বদলাতে বাথরূমে ঢুকলো। আমিও টের পেতেই লুকিয়ে দেখতে থাকলাম, খুব দূর না তাই ভালই দেখা যাচ্ছিল। সাগর আস্তে আস্তে তার জামা খুলতে লাগ্লো। কচি নাস্পাতির মতো বুকে গোলাপী বৃন্ত। আমার দন্ড নড়াচড়া শুরু করলো এরি মধ্যে। ওকে দেখে যত ছোট ভেবেছিলাম, বুক দেখে তা মনে হলোনা – বেশ বড়। সে বালতি থেকে পানি নিয়ে ঢালা শুরু করলো। পানি তার চুল বেয়ে বুকে, বুক থেকে তার মসৃন লোমে ঢাকা যোনী বেয়ে নিচে… জীবনে এই প্রথম কোন মেয়ের শরির এভাবে নগ্ন দেখে আমি উত্তেজনায় কাঁপ্তে থাকলাম। ইশ! একবার যদি ধরতে পারতাম ওকে! কি যেন একটা গানও গাইছিল সে।

চোদন ভরা এক সন্ধ্যা-১


রজত অফিসের কাজে বাইরে গেছে।ডিসেম্বর শেষ হতে চলল।ভ্যাপসা গরম ভাবটা নেই।অল্প অল্প ঠাণ্ডা পড়েছে। এ সময় রজতকে বিছানায় খুব মিস করে জবা।বাঁধনের কাছ থেকে একটা বই এনেছে,পাতায় পাতায় ছবি।নানা ভঙ্গীতে মিলনের দৃশ্য, সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বিবরণ।পড়তে বসলে গুদে জল কাটে।আর একটা বই কামদেবের লেখা "চোদন ভরা এক সন্ধ্যা" পড়া শুরু করেনি। ধোনকে পেয়ে কোনো ভাবে অবস্থাটা সামাল দেওয়া গেছে।না-হলে কলা মুলো দিয়ে কাজ চালাতে হ'ত।বাঁধনকে জবা ঐ নামে ডাকে।রজতের চেয়ে ধোনের বাড়াটা পুরুষ্ট।এক-এক সময় গুদের মধ্যে এমন কামড়ানি শুরু হয় ইচ্ছে করে বাঁশ পুরে দেয়।সব সময় জবার ব্যাগে 'বি-গ্যাপ' ট্যাবলেট থাকে, বলা যায় না কখন কি হয়ে যায়।একটা খেলে ছ-মাস নিশ্চিন্ত।কাপ-কাপ বীর্য ঢাললেও পেট হবে না। মফস্বল শহরে এসে প্রথমটা ভীষণ মন খারাপ হয়েছিল। কাউকে চেনে না ,জানে না।কি করে সময় কাটাবে? শেষে যেচে ধোনের সঙ্গে আলাপ করে কিছুটা স্বস্তি। লোকটা বইয়ের মধ্যে মুখ বুজে থাকত সারাক্ষন।ঘরের পাশ দিয়ে গেলে ঠিক চোখ তুলে তাকাতো।মনে মনে হাসি পেত,গুদের বশ হয়না এমন পুরুষ আছে নাকি?
রান্না শেষ করে স্নান-খাওয়া সেরে বইটা নিয়ে বসবে।শুধু নিজের জন্য রান্না ভাল লাগে? বদলির চাকরি এসব না মেনে উপায় কি? বইটা বালিশের নীচে রাখা আছে।বিছানার প'রে থাকলেও ক্ষতি ছিল না।এই নির্জন বাসে কেইবা দেখছে।তবু বালিশের নীচে রেখেছে কেন না চোখের সামনে থাকলে মনটা ঘূরেফিরে বইয়ের দিকে চলে যেত।রজতের বাড়িতে লোকজন কম না, এদিকে কেউ বেড়াতেও আসেনা।কার দায় পড়েছে ধাপধাড়া গোবিন্দপুরে বেড়াতে আসার? যদি দার্জিলিঙ্গে পোষ্টিং হলে অতিথি সমাগমে তিষ্ঠোতে হত না। মনে হচ্ছে ভাত উথলে উঠেছে? দ্রুত রান্না ঘরে গিয়ে ভাত উপুড় দিয়ে স্নানে গেল জবা।
দুপুরে ভাত-ঘুম না দিলে চলে না।রাতে ঘুমাও না-ঘুমাও দুপুরে না-ঘুমালে অস্বস্তি বোধ করে জবা।সন্ধ্যেবেলা কামদেব পড়বে।কবে যে অজ্ঞাতবাস ঘুচবে? শুনেছে রাস্তাটা না-হওয়া অবধি রজতকে এখানে থাকতে হবে।বইয়ের ছবি দেখতে দেখতে কখন ঘুমিয়ে পড়ে জবা।